Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

জীবনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৫, ১২:০০ এএম

জীবনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা

জীবনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা

Swapno

গাবতলী সোসাইটির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক  রফিকুল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর ইসদাইর  বাজারের জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে আমলী আদালতে মামলাটি করেন ( যার নম্বর ৬৫৭/২০২৪)।। ঘটনার প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রফিকুল ইসলাম জীবন সে আমাকে প্রেসক্লাবে ধরে নিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো। আজমেরি ওসমানের ক্যাডার শাহাদাত হোসেন রুপুকে দিয়ে হোন্ডা বাহিনীদের মাধ্যমে আমাকে ধরে নিয়ে গেছে। সে আমার গ্যাসলাইন আমার ভাতিজাকে লিখে দিয়েছে জোর করে। আমাকে হুমকিধামকি দিয়েছে আমাকে মারতে চেয়েছে। আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছে। আমার বাড়ি ভাঙতে চেয়েছে রফিকুল ইসলাম জীবন, জাতীয় ছাত্র সমাজের জেলার সভাপতি ও আজমেরী ওসমানের ক্যাডার শাহাদাত হোসেন রুপু, কামরুল মেম্বার, সাংবাদিক এনামুল হক সিদ্দিক। তাদের সাথে জীবন একত্রে আমার উপর হামলা করেছিল। আমাকে অশান্তির উপরে রেখেছে। আমি আজকে মানসিকভাবে চিন্তিত। এখন আমি আমার ভাড়াটিয়াদের গ্যাস ও কারেন্ট বিল দিয়ে টিকতে পারছিনা। আমার পুরো বাড়ি খালি। তাদের ওই ঘটনার পর আমাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া চলে গেছে। 


এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম জীবনসহ আরো কয়েকজনের নামে কোর্টে চাঁদাবাজির মামলা করেছি। সে আমাকে বাড়ি থেকে বের করতে অনেক চেষ্টা করেছে। সে আমার বাড়িঘর দখল করতে চেয়েছে। তারা আমাকে বলে এই বাড়িতে থাকতে হলে তাদেরকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। আমার ভাতিজার থেকে টাকা খেয়ে তারা একতরফা বিচার করেছে আমার বিরুদ্ধে। এমন অবস্থা সৃষ্টি করেছে, আমি স্ট্রোক করে মরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তারা আমাকে তিন মাস সময় দিয়েছিল বাড়ি ছাড়তে। আর আমার বাড়ির ভাড়াটিয়াদের দুই মাস সময় দিয়েছে। এর কিছুদিন পরই আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে। পতনের পর তারা সবাই পলাতক। আমি এই সাংবাদিক জীবনসহ সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রফিকুল ইসলাম জীবনসহ অন্যান্য আসামিরা দীর্ঘদিন যাবৎ এই এলাকায় সাবেক প্রভাবশালী এমপি ও তার কুখ্যাত ভাতিজা আজমেরী ওসমানের আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, নির্মাণ সেক্টর, সড়ক ও নৌ পরিবহন সেক্টর, গার্মেন্ট ঝুট সেক্টর, বিপণীবিতান সেক্টর থেকে চাঁদা আদায়, পরের জায়গা জমি, খাল জমি দখল, ব্যবসায়ী ও জনসাধারণের উপর নানা জুলুম-অত্যাচার, নির্যাতন-নিপীড়ন, হুমকি ভয়ভীতি দেখিয়ে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আয় বহির্ভূত বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন। তাদের অবৈধ ও বেআইনী প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে জানের ভয়ে কেউ কোনদিন মুখ খুলতে সাহস পেতোনা।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন