
জেলা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতৃবৃন্দ
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদল তিন শীর্ষ দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীরা বলয় ভিত্তিক রাজনীতিকে উজ্জেবীত রাখতে জেলা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের ব্যানারে দ্বিখন্ডিত হয়ে রাজনীতি করছেন। যার ফলে সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীলতায় বিঘ্ন ঘটেছে। তাছাড়া তাদের দ্বিখন্ডিত রাজনীতির কারণে জেলা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মীরা ধুঁকছে। যার কারণে নেতৃত্বের অবহেলায় খেতে পারেন হোঁচট। গ্রুপিংয়ের প্রভাবে সংগঠনের নেতৃত্ব কুক্ষিগত থাকার কারণে কেন্দ্রে থেকে যেকোন সময় কমিটিও ভেঙ্গে দিতে পারে।
সূত্র মতে, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের তিন সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতেও সীমাবদ্ধ রয়েছে। কেননা নারায়ণগঞ্জ জেলায় আহ্বায়ক হিসেবে সাদেকুর রহমান সাদেক ও সদস্য সচিব হিসেবে মশিউর রহমান রনি এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীব দায়িত্ব নেয়ার সাথে সাথেই যুবদলের রাজনীতি নারায়ণগঞ্জ জেলায় সাংগঠনিকভাবে দুর্বল সংগঠনে পরিণত হয়েছে। এছাড়া কমিটির সাংগঠনিক অবস্থা বিভেচনা করেও একীভূত হতে পারছে না যুবদলের নেতারা। তাছাড়া শীঘ্রই কমিটিকে তিন নেতার দায়িত্বের বাহিরে দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা নির্বাচিত করতে হবে। তবে কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে মতের অমিল হওয়া যার ফলে কমিটি পূর্ণও হচ্ছে না।
তাছাড়া বর্তমানে সকল সংগঠনই বর্তমানে অবহেলিত মনগড়া নেতৃত্বের বিদায় ঘন্টা বাজানো হচ্ছে এতে করে যেকোন সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের কমিটিও হোঁচট খেতে পারেন। এরমূলত প্রধান কারণই হচ্ছে সাদেক-সজীব এক বলয়ের এবং রনি তাদের বিরোধী বলয়ের। ‘ নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের মত সংগঠনে সাংগঠনিক ব্যর্থতার কারণে ঈদের পরই জেলা যুবদলের কমিটি বিলুপ্তির দারপ্রান্তে চলে যাবে। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলে আহ্বায়ক হিসেবে মাহাবুব রহমান সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সালু এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রফিক স্বেচ্ছাসেবকলের কমিটি ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই বলয়ের প্রভাবে দ্বিখন্ডিত হয়ে রাজনীতি করতে থাকেন। তবে কমিটির মেয়াদকালে তাদের দ্বারা একমাত্র সম্ভব হয়েছে স্বেচ্ছাসেবকদলের জেলা পূর্ণ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের।
কিন্তু তাদের সাংগঠনিক সকল ইউনিটেই তাদের ব্যর্থতা রয়েছে। কারণ জেলার কমিটির বাহিরেও সাংগঠনিক কোন ইউনিটে তারা সংগঠনের গতিশীলতার জন্য হলেও কোন প্রকার কর্মকান্ড সংগঠিত করেননি। গ্রুপিং বলয় ভিত্তিক রাজনীতিকে প্রধান্য দিয়ে চলার কারণে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলে ধীরে ধীরে কর্মীশূণ্য হয়ে উঠছে। মূলত তাদের নেতৃত্বের অবহেলা নিজেদের মধ্যকার বলয় ভিত্তিক রাজনীতিকে প্রধান্য দেয়ার ফলে কেন্দ্রীয় নজরদারিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের কমিটি থাকায় যেকোন সময় কমিটি বিলুপ্তির মাধ্যমে হোঁচট খেতে পারেন।